ধানুশের হলো চারটি জাতীয় পুরস্কার

দ্বিতীয়বারের মতো সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার স্পর্শ করবেন দক্ষিণি তারকা ধানুশ। এ বছর এই পুরস্কারটি তিনি ভাগ করে নিচ্ছেন বলিউড তারকা মনোজ বাজপেয়ির সঙ্গে। ‘আসুরান’ সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয় করে এ বছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

সেই খুশির খবর ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘সেরা অভিনেতা বিভাগে জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার ঘোষণায় আমি যারপরনাই পুলকিত, শিহরিত। এ এক পরম আশীর্বাদ। কে পি কারুপ্পু আর আমার সবচেয়ে প্রিয় শিবাস্বামী— যে দুটি চরিত্র আমাকে সবচেয়ে বড় সম্মান এনে দিল।’ এই পোস্টের সঙ্গে এই দুটি চরিত্রের ছবিও জুড়ে দিয়েছেন ধানুশ।এর আগে ২০১০ সালে ‘আধুকালাম’ সিনেমার জন্যও তাঁর হাতে উঠেছিল সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার। কেবল সেরা অভিনেতা হিসেবে নয়, আরও দুবার জাতীয় পুরস্কার উঠেছে ধানুশের হাতে। ২০১৪ সালে ‘কাকা মুট্টি’ সেরা শিশু সিনেমা হিসেবে জেতে জাতীয় পুরস্কার। পরের বছর ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে সেরা তামিল সিনেমা হয় ‘ভিসারানি’। এই দুটি সিনেমারই অন্যতম প্রযোজক ধানুশ। সব মিলিয়ে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ধানুশ। তামিল সিনেমার প্রযোজক ও পরিচালক কস্তুরি রাজা ও বিজয় লক্ষ্মীর ছোট ছেলে ধানুশ। ২০০২ সালে বাবার পরিচালিত ‘থুল্লুভাদো ইলামাই’ দিয়ে সিনেমায় অভিষেক ঘটে তাঁর। ১৮ বছরে ৪৪টির বেশি সিনেমায় দেখা দিয়েছেন তিনি। ৩৭ বছর বয়সী গুণী এই অভিনেতা সফল লেখক, প্রযোজক, পরিচালক, গীতিকার আর সংগীতশিল্পী হিসেবেও নাম কুড়িয়েছেন। ২০১৩ সালে ‘রঞ্জনা’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডের বড় পর্দায় আবির্ভাব ঘটে তাঁর। শেষবার তাঁকে দেখা গেছে হলিউডের ছবিতে। অ্যান্টনি রুশো আর জো রুশো পরিচালিত ওই ছবির নাম ‘দ্য গ্রে ম্যান’। হিন্দি সিনেমার দুনিয়ায় এরপর তাঁকে দেখা যাবে সারা আলী খান ও অক্ষয় কুমারের সঙ্গে, ‘আতরাঙ্গি রে’তে। ৯ এপ্রিল মুক্তি পাবে ধানুশ অভিনীত ‘কারনান’।ধানুশের গাওয়া ‘কোলাবেরি ডি’ গানটা গড়েছিল রেকর্ড। এই গানের নবম বর্ষতে ধানুশ আর ধীয়ের গাওয়া আরেকটি গান ‘রাউডি বেবি’ গড়েছে ইতিহাস। প্রভু দেবার কোরিওগ্রাফিতে গানের মিউজিক ভিডিওতেও সাই পল্লবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচেছেন ধানুশ। আর মুক্তির এক বছরের মাথায় গানটি ইউটিউবে দেখা হয়েছে ১০০ কোটির বেশিবার। এর ভেতর দিয়ে প্রথম দক্ষিণ ভারতীয় গান হিসেবে ওয়ান বিলিয়নের রেকর্ড গড়ল ‘রাউডি বেবি’। আর ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন ধানুশ।
স্ত্রী ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে ধানুশ

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries