বিশেষ ইঙ্গিতে প্রেমিকের নাম জানালেন অভিনেত্রী কিয়ারা

নিজের প্রেমিকের নাম বিশেষ ইঙ্গিত দিয়ে প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। এর মাধ্যমে বলিউডে তাকে নিয়ে জল্পনা–কল্পনার কিছুটা ইতি টানলেন এ অভিনেত্রী।

আলোচিত ওই প্রেমিকের নাম সরাসরি প্রকাশ না করে রহস্য রেখেছেন তিনি। এ নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের দিয়েছেন একটি ধাঁধা। সেই ধাঁধার জট খুললেই বেরিয়ে পড়বে কিয়ারার প্রেমিকের মুখ। প্রেমিকের ব্যাপারে অভিনেত্রী কিয়ারা বলেছেন, ‘আমি দুই মাসের জন্য ডেটে গিয়েছিলাম। এবার অঙ্কটা আপনারা নিজেরাই কষে নিন।’

এ নিয়ে কিয়ারা অনুসারীরা সাম্প্রতিক ঘোরাঘুরির খবর খুটিয়ে খুটি বের করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া অনুসন্ধান করে অনুসারীরা দেখেছেন অভিনেত্রী কিয়ারার সঙ্গে বেশির ভাগ সময়ই ছিলেন বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে।

এর আগেও সিদ্ধার্থ–কিয়ারাকে জড়িয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এবার তা আরও পরিষ্কার হলো!

ফেব্রুয়ারি মাসে সিদ্ধার্থ মালহোত্রার বাড়ির সামনে অসংখ্যবার দেখা গেছে কিয়ারাকে। করণ জোহরের বাড়ির পার্টিতেও তাদের একসঙ্গে ঢুকতে দেখা যায়। বছরের শুরুর দিকে মালদ্বীপে ছুটি কাটাতেও গিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। তারা একসঙ্গে মুম্বাই বিমানবন্দরে বিনোদন আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন। এমনকি দুজনের ইনস্টাগ্রামে একই সময়ে মালদ্বীপে ছুটি কাটানোর ছবিও দেখা গেছে। যদিও দুজনের কেউই একে অপরের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেননি।

যেভাবে প্রেমের গুঞ্জন

ধর্ম প্রোডাকশনের ‘লাস্ট স্টোরিজ’ ছবির সাফল্য উদ্‌যাপনের এক পার্টিতেই দেখা হয় সিদ্ধার্থ–কিয়ারার। এরপর নিজের জন্মদিনে সিদ্ধার্থকে আমন্ত্রণ করেন কিয়ারা। তারপর থেকেই দুজনকে বেশ কয়েকবার একসঙ্গে দেখা গেছে। সেখান থেকেই মূলত প্রেমের গুঞ্জন। ‘শেরশাহ’ ছবিতে প্রথমবার একসঙ্গে দেখা যাবে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানিকে। এই সিদ্ধার্থ মালহোত্রা একসময় বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটেরও প্রেমিক ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে বলিউডে অভিষেক হয় কিয়ারা আদভানির। তবে সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ দিয়েই পরিচিতি পান তিনি। আর ‘কবির সিং’ ছবি দিয়ে হয়ে ওঠেন তুমুল জনপ্রিয়। ‘লাস্ট স্টোরিজ’ চলচ্চিত্রেও নিজের পারদর্শীতা দেখিয়েছেন তিনি।

Source:BBC Bangla

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries