কিশোরগঞ্জে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেলো স্কুল ছাত্রী

আমার বাংলাদেশ রিপোর্ট: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আব্দুল কাদির মিয়ার হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেলো ১৪ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী।

জানা যায়, জেলা প্রশাসনের হট লাইন 333 তে বাল্য বিবাহের সংবাদ পেয়ে বিবাহটি বন্ধের জন্য সদর উপজেলার কর্শাকড়াইল ইউনিয়নের চিকনির চরে কনের বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল কাদির মিয়া।

ইউএনও আব্দুল কাদির জানান, গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে বিবাহের প্রক্রিয়া করা হয় এবং আজকে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে বিয়ের প্রক্রিয়া আইনসিদ্ধ নয় এবং এর মাধ্যমে বিয়ের আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়না। কনের মা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের নিকট হতে কনেকে অপ্রাপ্ত অবস্থায় বিয়ে না দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে নিবে মর্মে মুচলেকা নেয়া হয়।

বিবাহ বন্ধকরণ কাজে বাধা দেয়ায় একজনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। কনে আবার স্কুলে যাওয়ার স্বপ্নে আপ্লুত হয়ে ওঠে।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকলকে বাল্যবিবাহ রোধে জনসচেতনতা জাগিয়ে তোলার আহ্বান করেন।

এতে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা: মাসুমা আক্তার, কর্শাকড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান বদর উদ্দিন, মহিনন্দ ইউপি চেয়ারম্যান মো: মনসুর আলি, পুলিশ ফোর্স, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক আমার বাংলাদেশ

দৈনিক আমার বাংলাদেশ