ভৈরবে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সাম্মেলন

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি ॥
ভৈরবে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহকের সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সাম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে । আজ শনিবার দুপুরে ভৈরব রানীর বাজারে ব্যাংকের গ্রাহক মৃত আঃ কাদির মিয়ার ভুক্ত ভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে বলেন,২৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উত্তোলন করলেও ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন দেখিয়ে ২২ লাখ টাকা ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপক রবিউল বাশার প্রতারনা করে আতœসাৎ করেছে । এছাড়াও কাদির মিয়া ৮৫ লাখ ১১ হাজার ৯১৪ টাকা জমা করলেও ব্যাংক কর্তৃপ কোন প্রকার হিসাব না দিয়ে উল্টো তাদেরকে লোন পরিশোধের জন্য নানাভাবে চাপ দিচ্ছে । অথচ তাদের জমাকৃত অর্থ ব্যাংক লোনের চেয়ে ২৪ লাখ টাকার উপরে পাওনা রয়েছে । বার বার হিসাব চেয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপকে লিখিতভাবে জানালেও কোন প্রকার সুরাহা দিচ্ছেনা ব্যাংক । উল্টো পত্রিকায় তাদের বাড়ি নিলামের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানহানি করছে । ব্যাংক উদ্ধোধনের পর থেকে কাদির মিয়া উক্ত ব্যাংকের একজন নিয়মিত সি সি হোল্ডার । কাদির মিয়ার একাউন্ট ( নং-০৫২১০২০০০০৯৯৮) ৪০ লাখ টাকার একটি সি সি লোন পাস হলেও তিনি ২৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিভিন্ন সময়ে কারেন্ট একাউন্টের মাধ্যমে উত্তোলন করেছেন । কিন্ত তিনি ৪০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেন নাই । ২০১৬ সালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তৎকালীন ব্যাংক ব্যবস্থাপক রবিউল বাশার কৌশলে কাদির মিয়ার স্বারিত ২টি খালি চেক এনে (চেক নং ২৫৯৫০৬০ ও ২৫৯৫০৬১ ) গ্রহণ করে ২২ লাখ ১ হাজার ৪শ টাকা উত্তোলন করে কাদির মিয়ার পুত্র ইমরানের নামে ইস্যু করে । অথচ উক্ত টাকা ইমরান উত্তোলন করেননি । উত্তোলনকৃত টাকা রবিউল বাশার প্রতারনা করে আতœসাৎ করেছে । তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে কাদির মিয়া হিসাবে তার ব্যবসায়ীরা এবং কাদির মিয়া নিজেও মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ৮৫ লাখ ১১ হাজার ৯শত ১৪ টাকা জমা করেছে । এসব বিষয়ে ব্যাংকের কাছে ২৫ বার হিসাব চেয়ে উর্ধ্বতন কর্র্তপকে লিখিতভাবে জানানোর পরও ব্যাংক কর্র্তপ কোন হিসাব দেয়নি । উল্টো ব্যাংক কর্র্তপ তাদেরকে বার বার পাওনা টাকা পরিশোধ করার জন্য চিঠিসহ লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে । এছাড়া ও তৎকালীন ভৈরব শাখার ব্যাবস্থাপক রবিউল বাশারকে উক্ত শাখা থেকে অন্যত্র বদলী করা হয়েছে। তাছাড়া তাদেরকে কোন প্রকার চিঠি বা সময় না দিয়ে স্থানীয় একটি পত্রিকায় বাড়ি নিলামের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানহানি করেছে । তাই ব্যাংক কর্তৃপ সঠিক হিসাব এবং তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত প্রদানের জন্য অর্থমন্ত্রণালয়সহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries