ছাত্র-ছাত্রীদের জিম্মি করে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করতে হবে
আমিনুল ইসলাম বাবুল :
আমার কাছে অভিভাবকদের অভিযোগ আছে অনেক শিক শ্রেণিকে পাঠদান না করিয়ে শিার্থীদের নিজেদের কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকট মুজিবুল হক চুন্নু এমপি। তিনি বলেন, প্রাইভেট না পড়লে কখনো কখনো ছাত্রছাত্রীদের ফেল করিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। শিার্থীদের জিম্মি করে এ ধরনের অনৈতিক বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। শিার্থীদের জিম্মি করে পাঠদানে বাধ্য করলে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিা খাতে কোনো ধরনের অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকলে কেউ কোনো ছাড় পাবেন না। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে হাজী গোলাম হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর ৩৩ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) সংসদীয় আসনের এমপি অ্যাডভোকট মুজিবুল হক চুন্নু । তিনি আরো বলেন, তাড়াইল পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণ হয়ে যাওয়ায় তাড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি আসন সীমিত হওয়ায় বহু শিার্থীর ভর্তি বিরম্বনায় হচ্ছে। তাই, তাড়াইলের দাতা, বিত্তশালী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জমিদান করলে আমরা আরও একটি বেসরকারি শিাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারি। যদি তিনি তার ‘নামে’ ওই প্রতিষ্ঠানটি করতে চায় তাও পারেন । বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সৌন্দর্য্য বর্ধন ও কোমলমতি শিার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাতে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. রোকন উদ্দিন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. আজিজুল হক ভূঞা মোতাহার, উপজেলা জাতীয়পার্টির আহবায়ক মো. মোফাজ্জল হোসেন ভূঞা চাঁন মিয়া, তাড়াইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) চৌধুরী মিজানুজ্জামান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. আবদুল হাই, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন লাকী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকিয়া আক্তার, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান, সাবেক প্রধান শিক্ষক মোছা. নূরজাহান বেগম প্রমূখ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম খন্দকার এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. ছাইদুজ্জামান মোস্তফা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য দেওয়ান ফারুক দাদ খান, মো. রবিউল ইসলাম তাইফুন, মো. খোরশেদ আলম, মো. কাঞ্চন খান, মো. মতিউর রহমান ভূঞা, রতি লাল তালুকদার, নাজমা আক্তার, তাজুল ইসলাম ভূঞা, হিমাংশু মোহন তালুকদারসহ জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক, সাংবাদিক, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।

