মৃত্যুর পর প্রকাশ হলো শিল্পী সৈয়দ আব্দুল আহাদ মশকুরের ‘ঘুমের ছায়া চাঁদের চোখে’

 

সৈয়দ আব্দুল আহাদ মশকুর (৯০) মূলত একজন চলচ্চিত্র সংগ্রাহক ও গবেষক। দেশীয় চলচ্চিত্রের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত নিয়ে তিনি কাজ করে গেছেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে যে অল্প কয়েকজন চিন্তা করে গেছেন এবং করছেন তাঁদের মধ্যে মশকুর ছিলেন অন্যতম। তাঁর বিচরণ ছিল সাহিত্যের বিভিন্ন অঙ্গণেও। লিখে গেছেন বই-পত্তর। চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখির পাশাপাশি এই গুণি মানুষটি অভিনয়ের সাথেও যুক্ত ছিলেন। গানের প্রতি ছিলো তাঁর অগাধ ভালোবাসা। বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিউট এন্ড আর্কাইভ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ প্রতিষ্ঠানটির সাথে যুক্ত ছিলেন সৈয়দ মশকুর। তাঁর স্মৃতিচারণ বিষয়ক গ্রন্থ ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ ও ভ্রমন বিষয়ক গ্রন্থ ‘ফেলে আসা দিনগুলি মোর’ পাঠকদের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়। ১০ জানুয়ারি ১৯৩০ সালে জন্ম নেয়া এই কৃতি পুরুষ গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি কিশোরগঞ্জের হয়বতনগরের জমিদার দেওয়ান মান্নান দাঁদ খান এর নাতি। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি ‘তুমি জানো প্রিয়া’ নামের এক গানের অ্যালবাম রেকর্ডিং করেন। অ্যালবামের সবগুলো গানে এককভাবে কণ্ঠ দেন সৈয়দ মশকুর। ওই অ্যালবাম থেকে সম্প্রতি সৈয়দ আব্দুল আহাদ ইউটিউব চ্যানেলে ‘ঘুমের ছায়া চাঁদের চোখে’ শিরোনামের একটি গান রিলিজ করা হয়। ‘ঘুমের ছায়া চাঁদের চোখে’ গানটির মূল শিল্পী তালাত মাহমুদ। সৈয়দ মশকুরের কণ্ঠে গাওয়া এ গানটির নতুন করে সঙ্গীত পরিচালনা ও কম্পোজিশন করেছেন মিউজিক ল্যাবের ইবনে রাজন। মিক্সিং ও মাস্টারিং এ ছিলেন পুলক বড়ুয়া। কন্ঠ ধারণ ও সার্বিক নির্দেশনায় ছিলেন মুজাহিদুল হক লেনিন। সৈয়দ আব্দুল আহাদ মশকুরের বড় ছেলে সৈয়দ শাকিল আহাদ বেক্সিমকো গ্রুপের বেক্সটেক্স লিমিটেডের সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার ও চলচ্চিত্র স্ক্রিপ্ট রাইটার। শাকিলের সার্বিক তত্বাবধানেই পুরো অ্যালবামটি রেকর্ডিং হয়। সৈয়দ আব্দুল আহাদ মশকুরের ছোট ছেলে সৈয়দ ওয়াকিল আহাদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত (২০১৬) সঙ্গীত শিল্পী। সংগীত বোদ্ধাদের মতে ‘তুমি জানো প্রিয়া’ অ্যালবামের মাধ্যমে বাংলাদেশের সবচেয়ে বয়োজৈষ্ঠ্য কন্ঠশিল্পী হিসেবে সৈয়দ আব্দুল আহাদ মশকুর আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর অ্যালবামের ‘ঘুমের ছায়া চাঁদের চোখে’ গানটি গত ২ ডিসেম্বর রোববার ইউটিউবে রিলিজ হয়। গানটিতে কন্ঠ দেয়ার পাশাপাশি মডেল হিসেবে কাজ করেন সৈয়দ আব্দুল আহাদ মশকুর নিজেই।

editor

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries