নান্দাইলে বাল্যবিয়ে ঠেকালো ‘ঘাসফড়িং’
মজিবুর রহমান ফয়সাল:
উপজেলায় আরেকটি বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে দিলো ঘাসফড়িং দলের মেয়েরা। নান্দাইলে চল্লিশেরও অধিক বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে আলোচিত এই নারী সংঘঠনটি। ঘাসফড়িংয়ের মেয়েরা সোমবার দুপুরে খবর পায় নান্দাইল ইউনিয়নের ভাটিসাভার গ্রামে এক কিশোরীর বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছে। পরে সেখানে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সুত্র জানায়, সোমবার মাফরুহীন খান চৌধুরী বালিকা বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর বিয়ের দিন ধার্র্য্য ছিল। সকাল থেকে চলছিল রান্নাবান্নার কাজ। তার আগের দিন থেকে গানবাজনাসহ পুরো বাড়ি রঙ-বেরঙের বাতি দিয়ে চারদিক সাজানো ছিল। বাদ জোহর আমন্ত্রিত অতিথিসহ বরের লোকজন আসবে এ অবস্থায় সেখানে হাজির হয় নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনিতে পড়–য়া ঘাসফড়িংয়ের সদস্যরা। তাদের সাথে ওই বিয়ে বাড়িতে যান ছাত্রীর বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন আর রশিদ ও বিলকিস বেগম। এ সময় ছাত্রীর বাবাকে জন্ম নিবন্ধন দেখাতে বললে তিনি ভুয়া একটি জন্ম নিবন্ধন দেখান। তখন উপস্থিত ঘাসফড়িংয়ের সদস্যরা ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে ছাত্রীর বাবা পূর্ন বয়স না হওয়া পর্যন্ত মেয়ে বিয়ে দেবেন না মর্মে অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে নান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, একটি চক্র পূর্বের চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষরীত জন্মনিবন্ধন সংগ্রহ করে অল্প বয়সের মেয়েদের বয়স বাড়িয়ে বিয়ের কাজ সম্পন্নের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কর প্রয়োজন।

